1. [email protected] : মোহাম্মদ গোলাম রাব্বি : Mohammed Gulam Rabbi
  2. [email protected] : Md. Mehedi Hasan : Md. Mehedi Hasan
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

আজ রক্তেঝরা ১৫ আগস্ট – জাতীয় শোক দিবস

চাঁদপুর টেলিভিশন ডেস্কঃ
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ১৫৪ দেখেছে
আজ রক্তেঝরা ১৫ আগস্ট - জাতীয় শোক দিবস
আজ রক্তেঝরা ১৫ আগস্ট - জাতীয় শোক দিবস

সেদিন আকাশে শ্রাবণের মেঘ ছিলো, ছিলো না চাঁদ।’ শ্রাবণ মেঘের অন্ধকারে ছেয়ে গিয়েছিল রাজধানী ঢাকা। আর এ অন্ধকার রাতেই রচিত হয়েছিলো ইতিহাসের ঘৃণ্যতম এক কলঙ্কিত অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের অমানিশায় হায়েনারা বেরিয়ে গেলো। সপরিবারে সংহার করলো ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধু মরেনি। বাঙালির হৃদয়, মননে তিনি অবিনশ্বর, অনিবাশী।

“যদি রাত পোহালেই শোনা যেতো / বঙ্গবন্ধু মরে নাই / যদি রাজপথে আবার মিছিল হতো / বঙ্গবন্ধুর মুক্তি চাই / তবে বিশ্ব পেতো এক মহান নেতা / আমরা পেতাম ফিরে জাতির পিতা।”

আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন হওয়ার সাথে সাথে এ দিবসটিকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারি ছুটি হিসেবে পালন করে আসছিলো। পরবর্তীতে ২০০১ সালে বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবসের সরকারি ছুটিসহ রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের বিষয়টি স্থগিত করে দেয়।

এরপর তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সময়কালে মহামান্য হাইকোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে জাতীয় শোক দিবসটি সরকারি ছুটিসহ রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত পুনরায় ঘোষণা করে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালো রাতে ঢাকাস্থ ধানমন্ডির ৩২নং বাড়িতে হঠাৎ প্রবেশ করে সে সময়কার কিছু সংখ্যক উচ্চাভিলাষী সেনা অফিসার। বিদেশীদের চক্রান্তে এবং তাদের নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের সেদিন ওই হায়েনারা নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করে। বিশ্ব ইতিহাসের কলঙ্কিত এ হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যনায়ক ছিলো সে সময়কার আওয়ামী লীগ সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী ও বাংলার মীরজাফর খন্দকার মোশতাক আহমেদ। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সহচর।

বাংলার সেই মীরজাফর খন্দকার মোশতাককে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিন্দিত ও ঘৃণা জানিয়ে এসেছে এদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল সচেতন মানুষ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় পুরো বিশ্ববাসী হতবাক হয়ে যায়। কারণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জীবদ্দশায় বেশির ভাগ সময় ব্যয় করেছেন এ দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণের জন্য। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর এদেশে শুরু হয়েছিলো অবৈধ পন্থায় ক্ষমতা দখলের পালা।

জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুর জেলায়ও করোনা ভাইরাসজনিত কারণে সংক্ষিপ্ত পরিসরে এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বেশির ভাগ কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

বিজ্ঞাপন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি.
© All rights reserved 2020 ChandpurTelevision.Com