1. [email protected] : মোহাম্মদ গোলাম রাব্বি : Mohammed Gulam Rabbi
  2. [email protected] : Md. Mehedi Hasan : Md. Mehedi Hasan
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৪০ অপরাহ্ন

হাইমচরে পারুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ

চাঁদপুর টেলিভিশন ডেস্কঃ
  • আপডেট : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৯৫ দেখেছে
হাইমচরে পারুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ
হাইমচরে পারুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ

হাইমচর উপজেলার পশ্চিম চরকৃষ্ণপুর গ্রামের পারুল বেগমকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। শাশুড়ি, ননদ এবং স্বামী যৌথভাবে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখেছে পারুল বেগমকে। এমনটাই অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসীসহ নিহত পারুলের পরিবার।

গত ক’দিন পূর্বে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় মিয়া নেপালের স্ত্রী ৪ সন্তানের জননী পারুল বেগমকে। পারুলের মৃত্যুটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিলেও, এলাকাবাসী তা মানতে রাজি নন। এলাকাবাসীর দাবি, মিয়া নেপাল একজন নারী লোভী পুরুষ। তার সাথে তাল মিলিয়ে তার মা ও বোন পাল্লা দিয়ে নির্যাতন করতো পারুল বেগমকে। সন্তানদের দিকে তাকিয়ে সকল অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেও বুকে পাথর বেঁধে ছিলেন পারুল। বাপের বাড়ির সহযোগিতায় ছেলে-মেয়েদের নিয়ে কোনো রকম জীবন কাটিয়ে ছিলেন নিহত পারুল। অত্যন্ত সু-পরিকল্পিতভাবে ঠাÐা মাথায় রাতের আধারে পারুলকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখেছে তার শশুড়বাড়ীর লোকজন। পারুল হত্যাকে ধামাচাঁপা দিতে স্বামী মিয়া নেপালকে থানায় আত্মসমর্পন করিয়েছেন কতিপয় প্রভাবশালী লোকজন। মিয়া নেপালের মা এবং বোনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

নিহত পারুলের ছেলে শাহাদাত জানান, আমি প্রতিদিন রাতে আমার মায়ের সাথে ঘুমাতাম। সেদিন রাতে আমার বাবা আমাকে আমার দাদির ঘরে পাঠিয়ে দেয়। রাতে আমার দাদী অনেকক্ষন ঘরের বাহিরে ছিলেন। রাতে ক্লান্ত অবস্থায় ঘরে আসলে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি কোথায় গিয়েছিলেন? আমার দাদী আমাকে বলে, আমি পান খাইতে পাশের বাড়ি গিয়েছিলাম। ঐ রাতেই শুনি আমার মা নাকি ফাঁসি দিয়েছে। আমার মা আত্মহত্যা করেনি, মাকে তারা মেরে ফেলেছে।

নিহত পারুলের ভাই রাসেল জানায়, আমার বোনকে তারা সু-পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। হত্যার ঘটনাটি ধামাচাঁপা দিতে তারা বোনের গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখে। আমার বোনের উপর তার স্বামী, শাশুড়ি এবং ননদ বিভিন্ন সময়ে অত্যাচার করতো। বোন নিহত হওয়ার আগের দিনও তার স্বামী তাকে মারধর করেছে, এটা এলাকার অনেকেই জানে। আমার বোন অনেক কষ্ট সহ্য করে বেঁচে ছিল। সে কোনোভাবেই এ সন্তানদের রেখে আত্মহত্যা করবে না। তাকে নিশ্চয়ই তারা হত্যা করেছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমার বোনের হত্যার বিচার সু-নিশ্চিত করতে, চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

ফেসবুক মন্তব্য

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

বিজ্ঞাপন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি.
© All rights reserved 2020 ChandpurTelevision.Com